২০ লাখের বেশি ক্রুজযাত্রী প্রত্যাশা করছে তুরস্ক

চলতি বছরের শেষ নাগাদ ২০ লাখেরও বেশি প্রমোদতরী বা ক্রুজশিপে ভ্রমণকারী প্রত্যাশা করছে তুরস্ক।

চলতি বছরের শেষ নাগাদ ২০ লাখেরও বেশি প্রমোদতরী বা ক্রুজশিপে ভ্রমণকারী প্রত্যাশা করছে তুরস্ক। ধারণা করা হচ্ছে, এ সংখ্যা ২০২৩ সালের ২২ লাখ পর্যটকের রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। খবর আনাদোলু।

তুরস্কের পর্যটন সংস্থাগুলোর সংগঠন টুরসাবের প্রধান ফিরুজ বাগলিকায়া সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘প্রমোদতরীভিত্তিক বৈশ্বিক পর্যটন খাত দ্রুত পুনরুদ্ধার করেছে। এ সাফল্যের সুফল পাচ্ছে তুরস্ক।’

দেশটির পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে ৬৭৫টি প্রমোদতরীতে প্রায় ১০ লাখ পর্যটক তুরস্ক ভ্রমণ করেছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৯ শতাংশ বেশি।

ফিরুজ বাগলিকায়া জানান, পূর্ব ভূমধ্যসাগর, এজিয়ান ও কৃষ্ণ সাগরের সংযোগস্থলে তুরস্কের কৌশলগত অবস্থান এ প্রবৃদ্ধির প্রধান কারণ। কভিড-পরবর্তী সময়ে বৈশ্বিক ক্রুজ পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে সাড়ে তিন কোটিতে পৌঁছেছে। এর উল্লেখযোগ্য একটির গন্তব্য হয়ে উঠেছে তুরস্ক।

তিনি আরো জানান, কুসাদাসি, ইজমির, বোদরুম এবং বিশেষ করে ইস্তানবুল এখন আন্তর্জাতিক ক্রুজ কোম্পানিগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হয়ে উঠেছে। ইস্তানবুলের গালাতা পোর্ট এক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে। এখান থেকে তুরস্কে প্রবেশ করা পর্যটকরা শহরে সময় কাটাচ্ছে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও অবদান রাখছে।

ক্রুজ পর্যটকদের সাধারণত ব্যয়ের সক্ষমতা বেশি এবং তাদের অনেকে স্বাস্থ্যসেবা, সম্মেলন বা সাংস্কৃতিক পর্যটনেও যুক্ত। তাই নতুন ধারা ও ভিন্নধর্মী পর্যটকের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে কৌশল ও পরিকল্পনা করা জরুরি বলেও উল্লেখ করেন ফিরুজ বাগলিকায়া।

এমএসসি ক্রুজের তুরস্ক কান্ট্রি ম্যানেজার ইসিন হেকিমোগলু বলেন, ‘ইস্তানবুল, কুসাদাসি ও ইজমিরের বন্দরগুলো আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ক্রুজ লাইনগুলোর জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তুরস্কের অনন্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের আগ্রহ বাড়িয়ে তুলছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ক্রুজ পরিষেবাদাতারা পর্যটকদের সারা বছর নিরবচ্ছিন্ন ভ্রমণের ব্যবস্থা করেছেন। এতে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের পাশাপাশি তুর্কিরাও নিজেদের দেশ থেকে ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছে।’

আরও